প্রিন্ট এর তারিখঃ Jan 15, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Dec 31, 2025 ইং
টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতারা সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ভিন্ন পরিচয়ে

টাঙ্গাইল-১ ও ৬ আসনে তিন আওয়ামীলীগ নেতা ভিন্ন পরিচয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তারা ২৯ ডিসেম্বর সোমবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ওই নেতারা হলেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের তারেক শামস খান হিমু ও ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম এবং টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে অ্যাডভোকেট ইলিয়াস হোসেন মনি।জানা যায়, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের তারেক শামস খান হিমু টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি। আওয়ামীলীগের এই নেতা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জাতীয় পার্টি (জেপি)র মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তারেক শামস খান হিমু দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তিনি। সে নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ তেবাড়িয়া গ্রামের মৃত হুমায়ুন হোসেন খানের ছেলে। এব্যাপারে তার সাথে (মুঠোফোনে) যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।মুহাম্মদআশরাফুল ইসলাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। তিনি টাঙ্গাইল-৬ আসনের দেলদুয়ার উপজেলার কাতুলী গ্রামের মুহাম্মদ মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরি কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমি যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরি কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। নির্বাচন আমি আগেই করে ফেলেছি। এখন অনেকটা ফ্রি সময় কাটাচ্ছি। আমি মা-খালা, বোন-ভাবিদের কাছে গিয়েছি। তাদের সমস্যার কথা শুনেছি। তাদের সমস্যা সমাধান অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করবো। আমি তাদের কাছ থেকেই স্বাক্ষর নিয়েই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। আমার মনোনয়নের সাথে ৪ হাজার ৯০১ জনের স্বাক্ষর নিয়ে জমা দিয়েছি। এক শতাংশ ভোটারের মধ্যে ৯০ভাগই মহিলা। আমি ২০১৮ সালে মনোনয়ন চেয়েছিলাম পাইনি। ২০২৪ সালে মনোনয়ন চাইনি কিন্তু স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছি। এবারও তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। নারী-পুরুষের ভালোবাসার ভোটই আমাকে বিজয়ী করবে।
টাঙ্গাইল ১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে জাতীয় পার্টির (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন। তিনি আওয়ামীলীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী পরিষদের নেতা ছিলেন। তিনি ১৩ নভেম্বর জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন।
টাঙ্গাইল বার সমিতিতে আওয়ামীলীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী পরিষদে একবার কার্যকরি সদস্য ও পরবর্তীতে যুগ্মসম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ইলিয়াস হোনেস মনি ধনবাড়ী উপজেলার নরিল্যা গ্রামের মরহুম তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।
এ ব্যাপারে ইলিয়াস হোসেন মনি বলেন, আমি আওয়ামীলীগে সক্রিয় বা পদবীধারী নেতা ছিলাম না। তবে টাঙ্গাইল বারে সম্মিলিত আইনজীবী পরিষদের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। আমি জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃdailyprogotiralo.com